মুক্তিযুদ্ধের বাস্তব ঘটনা: জীবন হাতে চলা

১৯৭১ সালে একদল সিভিলিয়ান কিভাবে ছিলেন, তাঁদের সুদূর পথযাত্রার বিস্তারিত বর্ণনা খুদ সিভিলিয়ানের জবানিতে…

বিস্তারিত

মুসলমানের বাচ্চা? বিসমিল্লা’ পারি তো?

মুসলমান বলে গর্ব হতে পারে। আরবি জানেন বলে গর্ব হতে পারে। কিন্তু সত্যি বলছি, “বিসমিল্লাহ…” জানেন – পারেন তো?

বিস্তারিত

কর্মক্লান্তি থেকে পালাতে – পাহাড়ের উল্টো পিঠে : শেষ পর্ব

জুরভারং পাড়ার বাসিন্দার জুমঘরে চাঁদনি রাতে পোকামাকড়ের সাথে ঘরবসতি আর সানথিয়াম সাইতারের (ঝরণার) উপরে উঠার শেষ গল্প…

বিস্তারিত

কর্মক্লান্তি থেকে পালাতে – পাহাড়ের উল্টো পিঠে : পর্ব ৭

ডলু ঝরণা দেখিয়ে পালালো গাইড টনি (ছদ্মনাম)। আরেকটা ঝরণা দেখানোর কথা ছিল তার। অকুল পাথার থেকে উদ্ধার পাবার জন্য চারজন পাহাড়ির সঙ্গী হলাম আমরা। তাদেরকে অনুসরণ করে করে আমরা পাইন্দু খাল ছেড়ে উত্তর দিকের পাহাড়ে চড়েছি। কারা এরা, জানি না। উপরে উঠছি, তো উঠছিই। পথ আর ফুরায় না। লক্ষণ দেখে আমার মনে উঁকি দিলো একটা…

বিস্তারিত

কর্মক্লান্তি থেকে পালাতে – পাহাড়ের উল্টো পিঠে : পর্ব ৬

চান্দা পাড়া থেকে বেরিয়ে ঝরণা দেখার কথা দুইটা… একটা দেখিয়ে বেটা বলে কি, “আমাকে যেতে হবে।” ব্যাটা পয়সাকড়ি বুঝে নিয়ে মানে মানে কেটে পড়লো… অকুল পাথারে পড়লাম।

বিস্তারিত

কর্মক্লান্তি থেকে পালাতে – পাহাড়ের উল্টো পিঠে : পর্ব ৫

পাইন্দু হেডম্যান পাড়া থেকে একপ্রকারে বিতাড়িত আমরা বৃষ্টির মধ্যেই পায়দল পরবর্তি পাড়ার উদ্দেশ্যে একাকি রওয়ানা করে বিজিবি ক্যাম্প এড়াতে ফের ঐ পাড়ায়ই ফিরে এলাম। সময়ের সাথে পাল্লা দিতে আমরা বাড়তি দামেই জহির (ছদ্মনাম) মাঝির ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করেই রওয়ানা দিয়েছি পরবর্তি পাড়ার উদ্দেশ্যে। কিন্তু কাল রাত থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত টানা বৃষ্টি পড়েছে। খালে এসে সেই…

বিস্তারিত

কর্মক্লান্তি থেকে পালাতে – পাহাড়ের উল্টো পিঠে : পর্ব ৪

কোমর পানি দিয়ে পাইন্দু খাল পার হয়ে পাড়াবাসীদের একপ্রকারের ঠেলে সরিয়ে দেয়াকে উপেক্ষা করে আমরা আশ্রয় পেয়েছিলাম পাইন্দু হেডম্যান পাড়ায়। রাতভর চললো অঝোর ধারায় বৃষ্টি। সকালেও সেই ধারা অব্যাহত থাকলো। কিন্তু বৃষ্টির প্রস্তুতি না থাকাসত্ত্বেয় এই পাড়াবাসীরা আর আমাদেরকে রাখতে রাজি না। মানে মানে বুঝিয়ে দিয়েছেন কারবারি, আমাদের বেরিয়ে পড়া উচিত। বৃষ্টির মধ্যেই বেরোতে হবে…

বিস্তারিত

কর্মক্লান্তি থেকে পালাতে – পাহাড়ের উল্টো পিঠে : পর্ব ৩

পাইন্দু খাল ট্রেক করতে গিয়ে পাহাড়ি ঢল এড়াতে জঙ্গলের সাথে যেভাবে যুদ্ধ করতে হলো, তারপর পথহারা আমরা পথের দিশা পেয়ে এগিয়ে গেলাম একটা পাড়ার দিকে। কোমর পানির স্রোত পেরিয়ে আমরা যখন পাড়ায় পৌঁছলাম, তখন সেই পাড়াবাসীদের প্রশ্নবাণে জর্জরিত আমরা: কোথা থেকে এসেছি? কোথায় যাবো? আমরা এখানে কেন এসেছি? ওদের পাড়ায়ইবা কেন এসেছি? আবু বকরের মতোই আমারও ভ্রু কুঞ্চিত…

বিস্তারিত

কর্মক্লান্তি থেকে পালাতে – পাহাড়ের উল্টো পিঠে : পর্ব ২

রৌদ্র্যোজ্জল শরতের কড়া রোদে পাইন্দু খালের বালুময় প্রান্তরে হাঁটার অভিপ্রায়ে বের হওয়া আমরা চারজন গিয়ে পড়লাম একেবারে পাহাড়ি ঢলে উত্তাল পাইন্দু খালের তোপের মুখে। সেই তোপে পা না দিতে পাশের পাহাড় ধরে চলতে গিয়ে সামনে পড়লো ঘন জঙ্গল। আর সেই ঘন জঙ্গলে ঢুকে বিভিন্ন পথে, বিভিন্নভাবে ঘুরে চেষ্টা করলাম আমরা, কিন্তু ঘন জঙ্গল আমাদের সকল…

বিস্তারিত

কর্মক্লান্তি থেকে পালাতে – পাহাড়ের উল্টো পিঠে : পর্ব ১

ট্রেইলের শুরুতেই বিপত্তি – খাল পানিতে টইটুম্বুর, তাই উঁচু পাড় ধরে এগোনো ছাড়া কোনো গত্যান্তর নেই। সেই উঁচু পাড়ের কাছে গিয়ে থমকে দাঁড়াতে হলো। খাড়া ঢাল নেমে গেছে পানিতে, আর সামনেই ঘন ঝোঁপ। আর বেশি সামনে এগোলে পাড় ভেঙে সোজা পানিতে পড়তে হবে। এতো এতো ঢল যে, ওপাড়ে যাওয়ারও উপায় নেই। তাছাড়া বর্ষার কোনো প্রস্তুতিই আমাদের…

বিস্তারিত

লাতুর ট্রেন

লাতুর ট্রেন — ছোটবেলা নানাবাড়ি যাবার বাহন ছিল এই লক্করঝক্কর মার্কা ট্রেন। এখন আমরা মেইল ট্রেন বলতে যেসব ‘খোদার গরু ধর্মের রাখাল’ ট্রেনকে বুঝি, এই ট্রেন ছিল হুবহু তাই। কিন্তু তখন, এখনকার মতো অহরহ বাস ছিল না, ছিল না জনে জনে মোটরসাইকেল কিংবা প্রাইভেট কার। তাই লাতুর ট্রেন ছিল খুব সমাদৃত। একটাই মাত্র ট্রেন, সেটাই চলতো…

বিস্তারিত

প্রাচীন সপ্তাশ্চর্য – জানেন? জানেন না।

একটা পরীক্ষা এখনই করে ফেলুন তো… আপনার আশেপাশে যে-ই আছেন, তাঁকে জিজ্ঞেস করুন, প্রাচীন সপ্তাশ্চর্যের নাম শুনেছেন কিনা? বলবেন, হ্যা। এবার সেগুলোর নাম বলতে বলুন। মোটামুটি নিশ্চিত, তিনি সর্বোচ্চ ৪টার বেশি নাম বলতেই পারবেন না। যিনি ৭টাই পারলেন, তাঁকে আপনি সাধুবাদ দিতেই পারেন। …হ্যা, ঘটনা এটাই, প্রাচীনকালের সপ্তাশ্চর্যগুলোর নাম আমরা সবাই শুনেছি, কিন্তু কেউই আসলে জানি…

বিস্তারিত

তরল স্বর্ণের দেশে ২০০১: কিস্তি ১

২০০১ খ্রিস্টাব্দে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েই আমার প্রথম বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে একটা পাণ্ডুলিপি লিখে রেখেছিলাম। আজ ১৫ বছর পরে, তখনকার চিত্রের সাথে এখনকার চিত্রের যদিও বিস্তর ফারাক, তখন সেলফি ছিল না, ডিজিট্যাল ক্যামেরা ঘরে ঘরে রমরমা হয়নি, মোবাইল ফোন সবার কাছে ছিল না, ঢাকার রাস্তায় গাছ ছিল না; কিন্তু এই বর্ণনায় সবসময়কারই বিদেশ-বিভূঁই-এর কিছু চিত্র উঠে…

বিস্তারিত

তিন গোয়েন্দা – একটি সমৃদ্ধ শৈশবের নাম

ঢাকায় আসার পরে তিন গোয়েন্দার নাম প্রথম শুনলাম, তখন পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ি। মামার মুখে শুনতাম, তিনি পত্রিকায় পড়েছেন, তিন গোয়েন্দা পড়ে বাচ্চারা হারিয়ে গেছে। বাচ্চারা গোয়েন্দাগিরি করার জন্য কাউকে কিছু না বলে বাসা থেকে বেরিয়ে পড়ে হারিয়ে গেছে। বুঝে নিয়েছিলাম, তিন গোয়েন্দা একটা অভিশাপের নাম। সপ্তম শ্রেণীতে উঠে আইডিয়াল কোচিং-এ যেতাম, সেই খিলগাঁও-এ। সেখানে আমাদের…

বিস্তারিত