আরবি ক্যালিগ্রাফি – ধর্ম নয়, ধর্মধ্বংস

প্রতিবছর বিভিন্ন সংগঠন ক্বোরআনের আয়াত দিয়ে লেখা সুন্দর সুন্দর ক্যালিগ্রাফি দিয়ে ক্যালেন্ডার বের করে, একজন মুসলমান হিসেবে ঘরে শেয়াল-কুকুরের ছবি ঝোলানোর চেয়ে এরকম একটা ক্যালিগ্রাফি করা ক্বোরআনের আয়াত সম্বলিত ক্যালেন্ডার ঝোলানো অনেকেই পছন্দ করেন… আমি করি না। ক্যালিগ্রাফি মানে আঁকাবাঁকা করে সুন্দর করে হরফগুলো লেখা, এটা যেকোনো ভাষায়ই হতে পারে, ইংরেজি, বাংলা, হিব্রু – এরকম প্রায় সকল ভাষাভাষিরাই নিজের ভাষার হরফগুলো সুন্দর থেকে সুন্দরতর করে লেখাকে হরফবিদ্যা বা টাইপোগ্রাফির অংশ করে নিয়েছে। তেমনি আরবিতেও ক্যালিগ্রাফি করা হয়। আরবিতে ক্যালিগ্রাফি করে ক্বোরআনের আয়াত (বাক্য কিংবা বাক্যসমষ্টি) লেখার ইতিহাস কবেকার, সে জানি না, ঘাঁটাঘাটির ইচ্ছেও নেই, তবে সেটা যে ইসলাম আসার পরে,…

বিস্তারিত

রাবার ব্যান্ড

“টানলে বাড়ে” বলুন তো সেটা কী? উত্তরটা হলো ‘রাবার ব্যান্ড’। এই রাবার ব্যান্ড আমরা বিভিন্নভাবে চিনে থাকি। মেয়েরা রাবার ব্যান্ড দিয়ে চুল বাঁধেন, রাবার ব্যান্ড দিয়ে ব্যাংক টাকার বান্ডিল বেঁধে দেয়। রাবার ব্যান্ডের বিশেষত্ব হলো, একে টেনে অনেক বড় করলেও, ছেড়ে দিলে আবার তা আগের অবস্থায় ফিরে আসে। নমনীয় এই বিশেষ বস্তুটি কিভাবে তৈরি হয়? “রাবার ব্যান্ড বানানোর ব্যাপারটা অনেকটা পাউরুটি বানানোর মতোই।” আরকানসাসের (Arkansas) ‘অ্যালায়্যান্স রাবার কোম্পানি’ তাদের ওয়েবসাইটে এমনটাই লিখে রেখেছে। শুনে মনে হচ্ছে, আমাদেরকে রাবার চিবানোর জন্য পাউরুটির মতোই জিহ্বা বের করে উউম্‌ম বলতে হবে- যেন বেক করা রাবারের সুগন্ধ কতইনা স্বাদের! আসলে অ্যালায়্যান্স সেটা বুঝাতে চাচ্ছে…

বিস্তারিত

আবার, বারবার নভোথিয়েটার

ভুশ করে অন্ধকার চিরে বেরিয়ে এলো বিশাল গোলকটা। গোল্ডিলক অঞ্চলের এক বাসিন্দা। একটু দূরে যেতেই আমরা তার সূর্যটাকে দেখতে পেলাম। এবারে দেখলাম তার বাসযোগ্য একটা তাপমাত্রা কিভাবে আমরা এই দূর পৃথিবী থেকেই মাপতে পারি… কিন্তু এদিকে যে আমরা দুজন গোল্ডিলক অঞ্চলের বাইরে এসে প্রচণ্ড শ্বৈত্যে জমে যাচ্ছি… নভোথিয়েটারে গিয়েছিলাম অনেকদিন আগে, মনে পড়ছে না কবে, কিন্তু বছর আটেক হয়ে যাবে নিশ্চিত। আবারও গেলাম সেখানে, এবারে সঙ্গে গিন্নীকে নিয়ে…। কী এই নভোথিয়েটার? কী হয় এখানে? কেন এর জন্ম? দেখার আছে কিছু? …সবই একএক করে জানবো আমরা…। নভোথিয়েটার অবস্থানগতভাবে ঢাকার তেজগাঁও-এ পড়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কাছেই, আগে যেখানে র‍্যাংগ্‌স ভবন ছিল, সেই মোড়ে…

বিস্তারিত

ইউনিকোড বাংলা স্ক্রিপ্ট নিয়ে একজন রিশিদা

Richard Ishida - a Bengali script activist (ছবি: Digital-web.com)

রিশিদা
(ছবি: Digital-web.com^)

ইউনিকোড বাংলা স্ক্রিপ্ট নিয়ে বেশ সুন্দর আর গোছানো কাজ করেছেন Rishida। তাঁর কাজগুলো পাওয়া যাবে তাঁর নিজের ওয়েবসাইটে^। বাংলা স্ক্রিপ্টিং নিয়ে তাঁর লেখা নিচের পোস্টগুলো বেশ সমৃদ্ধ:

কে এই রিশিদা? তাঁর একটি সাক্ষাৎকার সংগ্রহ করে দিয়েছেন শাবাব মুস্তাফা, পাওয়া যাবে নিচের লিংকে:

এতটুকুতো অন্তত পরিষ্কার, তাঁর পুরো নাম Richard Ishida। বাকিটা ঐ সাক্ষাৎকার আর তাঁর নিজের সাইট আর কাজগুলো থেকে জেনে নেয়া যেতেই পারে।

শ্রদ্ধা জানাই তাঁর কাজের প্রতি… (Kudos to his works for Bengali (Bānglā) )

-মঈনুল ইসলাম
wz.islam@gmail.com

ঈশ্বর ধারণা

বিজ্ঞানকে জিজ্ঞেস করলে বলবে, “ঈশ্বর বলে কেউ আছেন কি নেই, তা আমি জানি না।” – বিজ্ঞান “আছে”ও বলবে না, “নেই”ও বলবে না – অর্থাৎ বিজ্ঞান এক্ষেত্রে আস্তিকও না, নাস্তিকও না।

কিন্তু কেন টানা গ্রীষ্মের দাবদাহের পরে কোনো এক শুক্রবারেই (মসজিদে মসজিদে ক্ষমাপ্রার্থণামূলক বৃষ্টির জন্য দোয়ার পরেই) বৃষ্টি দিয়ে ঈশ্বর তাঁর নিজের অস্তিত্ব জানান দিবেন?

কিন্তু কেন কোন এক শরতে, দূর্গা দেবীর পৃথিবীতে আগমনের দিন ভূমিকম্প হওয়ার পরে মুন্নী সাহা বললেন, এবার দেবী “দোলায় চড়ে এসেছেন”, আর সেজন্যেই ভূমিকম্প হয়েছে। (মুন্নী সাহার ব্যক্তিগত বাজে পারফর্মেন্সের সাথে একে মেলানো ভুল হবে)

সামথিং ইয রিয়্যালী ফিশী!
বিজ্ঞানকে বোধহয় এখন নোয়েটিক্স-এর দিকে একটু গভীর নজর দিতে হবে…


সিলেটি ফোকলোর: নুযি ‘কইন্নার কিচ্চা

এক ছিল বাদশাহ, আর তাঁর এক ছেলে ছিল। সে ছিল মুসলমান আর তার এক বন্ধু ছিল হিন্দু, গোলাপ রাজা ছিল তার নাম। তারা দুজনে সারাক্ষণ পাশা খেলায় মেতে থাকতো। খেলার সময় একদিন হঠাৎ গোলাপ রাজা প্রস্তাব দিয়ে বসলো, “যে জিতবে, অর্থাৎ আমি যদি জিতি, তাহলে তোমার বোন আমার কাছে বিয়ে দিবে।” বাদশাহের ছেলেও তাতে রাজি হয়ে পাল্টা প্রস্তাব করলো, “আর যদি আমি জিতে যাই তাহলে তোমার বোন আমার কাছে…।” হলো কি, বাজির খেলায় জিতে গেলো গোলাপ রাজা। শর্তমতে তো বাদশাহের ছেলের তার বোনকে বিয়ে দিতে হবে গোলাপ রাজার সাথে। খেলাচ্ছলে একটা কথা বলে বসেছে বলে ফেঁসে গেছে; কিন্তু ভাই কোনোভাবেই…

বিস্তারিত

সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ ২০১৪ (২)

« আগের পর্ব আমরা যখন সেন্ট মার্টিন পৌঁছে প্রথম দিন অতিবাহিত করা শেষ, তখনও রাস্তায় রয়েছে ঘুরবাজের হেকটিক ভ্রমণ দল। টেকনাফে, বিজিবি তাদের ট্রলার ছাড়ার অনুমতি দিল না, তারপর অনেক কাকুতি-মিনতি করে তারা যখন যাত্রা করবার অনুমতি পেল, তখন আঁধার নেমেছে চরাচরে… নাফ নদীতে… বঙ্গোপসাগরে… সূর্য অস্ত যাবার কিছুক্ষণ আগে টেকনাফে পৌঁছালো আমাদের ঘুরবাজ দল। টেকনাফ থেকে ট্রলার পাওয়া গেল ঠিকই, কিন্তু নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিজিবি, নিরাপত্তার খাতিরে বিকাল ৫টার পরে কোনো ট্রলার ছাড়ার অনুমতি দেয় না। বিজিবি সেখানে সিরিয়াল ডেকে ডেকে ট্রলার ঘাটে ঢোকায়, হিসাব রাখে। হিসাবে ভুল দেখা দিলেই বুঝে নেয় ট্রলারটা বিপদে পড়েছে, তখন কোস্টগার্ড আর নৌবাহিনীকে জানায় তারা।…

বিস্তারিত

সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ ২০১৪

বিয়ে করেছি ৭ মাস হয়ে যাচ্ছে, দেশের অবস্থা ভালো ছিল না বলে কোথাও বেরোন হয়নি। ভ্রমণ বাংলাদেশ থেকে একটা সস্ত্রীক ট্যুর আয়োজন করা হলো, কিন্তু অফিস থেকে ছুটি ম্যানেজ না করায় শেষ পর্যন্ত বন্ধুদের সাথে যোগ দিতে হলো। ওরা প্রায় একমাস আগে থেকে ট্যুরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদের ট্যুরের নাম: Hectic Tour to Saint Martin, বাংলা করলে দাঁড়ায় উত্তেজনাপূর্ণ। তবে এর অনেকগুলো মানের মধ্যে এটা একটা আরকি। কে জানতো বাকি মানেগুলোও এই ট্যুরের সাথে জুড়ে গিয়ে ট্যুরটাকে বিপদসংকুল করে তুলবে। সফরসঙ্গী মুনিম তো শেষ পর্যন্ত ঘোষণাই দিয়ে দিলো: ভবিষ্যতে আর কোনো ট্যুরে যদি হেকটিক ফেকটিক থাকে, তাহলে সে আর নেই। বোঝাই…

বিস্তারিত
উপরে ফিরে চলো