ইংরেজিভীতি থেকে ইংরেজিপ্রীতি : ভাষা বলতে শেখা

আমরা দেখেছিলাম, ভাষাশিক্ষার জন্য ব্যাকরণ হচ্ছে সবচেয়ে পরের জিনিস। আর লুবাব সাহেবের অন্তর্দৃষ্টি অনুসারে ভাষা শিক্ষার তৃতীয় ধাপ হচ্ছে “ভাষাকে উচ্চারণ করা” বা “ভাষা বলতে শেখা”। আজ আমরা এই ধাপটি নিয়েই আলোচনা করছি:

বন্ধুর বাসায় যাবার কথা, কিন্তু যেতে পারছেন না। মুঠালাপিতে তাই একটা সংক্ষিপ্ত বার্তা লিখে ফেললেন:

ami akon asta partaci na kalka asbo basai takis

বুঝতেই পারছেন, রোমীয় হরফে বাংলা লেখার চেষ্টা। যদি আপনি উপরের এই লেখাগুলো অনায়াসে পড়তে পেরে থাকেন, তাহলে সম্ভবত আপনি ইংরেজিতে দুর্বল। হ্যা, সত্যি বলছি, আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় দেখেছি, যাদের মধ্যেই বাংলাকে রোমীয় হরফে এভাবে লিখতে, তাদের অধিকাংশই ইংরেজিতে দুর্বল – এই দুয়ের মধ্যে একটা পজিটিভ কোরিলেশন রয়েছে।

যেহেতু আপনি অনায়াসে পড়ে ফেলেছেন, সেহেতু আপনার মনে হতে পারে, এভাবে লিখবে না তো আর কিভাবে লিখবে! এবারে দেখুন তো…

ami ekhon ashte partesi na, kalke ashbo, bashay thakis

আপনি হয়তো পড়বেন: আমি ইখন আশতি পারতিসি না, কালকি আশবো, বাসা-য় থাকিস।

সত্যি বলতে কি আপনি মুরাদ টাকলা সিনড্রম-এ ভুগছেন। মানে কী?

মুরাদ টাকলার কৌতুককর উপস্থাপনা - নিশাচর
মুরাদ টাকলার কৌতুককর উপস্থাপনা (ছবির উৎস অজানা)

মুরাদ টাকলা

মুরাদ টাকলা এক প্রকারের বৈকল্য, যাতে মানুষ “মুরোদ থাকলে” (murod thakle) কথাটাকে এমনভাবে রোমীয় হরফে লেখেন (murad takla), যা আদতে “মুরাদ টাকলা” পড়া যায়। যাদের ইংরেজি উচ্চারণ সঠিক করে জানা নেই, তাদের এমনটা করতে দেখা যায়। ফেসবুকে এমন একটি পেজ আছে, যেখানে মুরাদ টাকলা সিনড্রমে ভুক্তভোগীদের কার্যকলাপ নিয়ে হাসাহাসি করেন, যারা মুরাদ টাকলা না, তারা।

আরো পড়তে পারেন দি ডেইলি স্টার-এর নিবন্ধ^। মজা করার জন্য আরো রয়েছে: টাকলা কনভার্টার^

আপনি এখন অন্যের নিকট হাস্যস্পদ – এটা শুনে মিইয়ে যাবার কিছু হয়নি। আমরা আজকে কিছু টেকনিক শিখবো, যা অনুসরণ করলে, আমাদেরকে নিয়ে আর কেউ হাসবে না।

…ব্যস দিলেন তো সব ভজকট পাকিয়ে…। যেই না আমি বললাম, আমরা সহজ কিছু পথ জানবো, অমনি আপনি আঁটঘাঁট বেঁধে বসলেন, সহজ পথে ইংরেজি শিখে ফেলবেন বলে। বাদ দিন, আপনার আর পড়ার দরকার নেই। …কেন? কেউ একটা সহজ পথ বাৎলে দিবে বললেই কেন আপনি তাকে বিশ্বাস করেন? কারণ আপনি দুর্বল। দুর্বলরাই রাস্তার পাশের ক্যানভাসারের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের যাবতীয় সমস্যার সমাধান খোঁজেন। আর সবলরা তাদেরকে পাশ কাটিয়ে চলে যান, তাদের কথা কানে ঢোকানই না, কানের ১০০ হাত দূর দিয়ে উড়ে যায়।

আসুন না, বাকিটা সময় আমরা কিছু মজা করি… আনন্দ খুঁজে নেই… টেকনিক ফেকনিক কিছুই না। কোনো কিছুতে মজা পাওয়াটাই আসল অর্জন।

…আচ্ছা,

আমি যদি বলি, ইংরেজি শিখতে এসেছেন, বাংলা জানেন তো ভালো করে? আপনি বলবেন, বাংলা জানা লাগবে কেন? এই ধারাবাহিকের উপক্রমণিকাতে দেখিয়েছিলাম, ইংরেজি শিক্ষা কেবল ইংরেজি দিয়ে করলে সেটা সহজ হবে না। আর দশটা জ্ঞান মিলিয়ে নিন, ইংরেজিও সহজ হয়ে যাবে। …ব্যক্তিগতভাবে আমার ক্ষেত্রে আমি ইংরেজি শিখতে গিয়ে বাংলার জ্ঞান আর আরবীর জ্ঞান থেকে এতো উপকার পেয়েছি যে, বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনকি আমার আঞ্চলিক ভাষা সিলেটি ভাষাও আমাকে অনেক উপকার করেছে।

ইংরেজি ভাষা উচ্চারণ করবো কিভাবে, সেটা সম্পূর্ণই অভ্যাসের ব্যাপার। আমরা কোনো পরিবেশে, কিভাবে উচ্চারণ করতে অভ্যস্থ, তার উপর আসলে এই দক্ষতা নির্ভর করবে। ইংরেজিকে শুনতে শিখলে, সেটা ধীরে ধীরে তৈরি হয়েও যাবে ইনশাল্লাহ।

তো কিভাবে কোনো অক্ষরটা উচ্চারণ করতে হবে, কিংবা করা উচিত, তার একটা দিক নির্দেশনা আমরা একটা আলাদা পোস্টে গুছিয়ে রেখেছি। দেখুন: চীটশীট – ইংরেজি ভাষার উচ্চারণচর্চা। সেখানে অডিওসহ উচ্চারণ বর্ণনা করা আছে।

উচ্চারণ শুদ্ধ করা

আমার ছোটবেলায়, আম্মা, নানাবাড়িতে নাইয়র যাবার সময়, আমাদেরকে পড়ানোর বই সঙ্গে করে নিয়ে যেতেন। সেখানে একদিন গ্রামার পড়তে বসেছিলাম, পড়ার বিষয় ছিল Syllable। সিলেবল অধ্যায়টা তখন খুব একটা যে বুঝেছিলাম তা না, বরং ঐ অধ্যায়টা পড়ে গান গেয়েছিলাম এভাবে mono-di-try-poly মনো-ডাই-ট্রাই-পলি। পরবর্তি জীবনে এই সিলেবলই আমাকে আমার বানান সংশোধন করতে সহায়তা করেছিল আদ্যোপান্ত।

কিভাবে?

সিলেবলে শেখানো হয়, শ্বাসের এক ধাক্কায় কোনো একটা শব্দের যতটুকু উচ্চারণ করা যায়, তাকে বলা হয় সিলেবল। মানে, aeroplane শব্দটা একটাই শব্দ, কিন্তু শ্বাসের এক ধাক্কায় উচ্চারণ করা যায় aero পর্যন্ত। আরেক ধাক্কায় উচ্চারণ করা যায় plane পর্যন্ত (তাহলে aeroplane একটা ডাই সিলেবলের শব্দ)। তাহলে উচ্চারণের আঙ্গিক থেকে এভাবে শব্দকে মনে মনে (বাস্তবে অবশ্যই না) ভেঙ্গে নিলে দেখা যাবে, শব্দটা উচ্চারণ করা সহজ হয়ে যাবে।

ইংরেজি circumstances শব্দটা বড়সড় একটা শব্দ, কিন্তু একে সিলেবলে ভাগ করে নিলে cir⋅cum⋅stan⋅ces (পলি সিলেবল) হয়ে গেলে তখন সেটা মনে রাখা সহজ আর উচ্চারণ করাটাও সহজ: সায়ার⋅কাম⋅স্ট্যান⋅সেস।

আর এভাবেই সিলেবল টেকনিকটা আমাকে ইংরেজি উচ্চারণ সঠিক করতে আদ্যোপান্ত সহায়তা করেছে।

বলার জড়তা দূর করা

ভাষা উচ্চারণ করতে পারাটাই সবকিছু না, বরং সেটা বলার জড়তাটা দূর করাও জরুরি। ছোটবেলা মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে থাকাকালীন আমাদের ইংরেজি শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন শ্রদ্ধেয় মণ্ডল স্যার। মণ্ডল স্যার খুব গাট্‌স নিয়ে থাকতেন, প্রচণ্ড মেজাজি, আর মেজাজ চড়ে গেলে ছাত্র পিঠিয়ে হাসপাতালেও পাঠাতে পারেন – এরকম মাথাগরম। কিন্তু কোনো এক বিচিত্র কারণে স্যারকে আমার খুব পছন্দ হতো। সেই মণ্ডল স্যার একবার উদ্যোগ নিলেন, তিনি ক্লাস সেভেনের ছেলেদেরকে নিয়ে ইংরেজিতে বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করবেন।

তো সেটার একটা প্রস্তুতিস্বরূপ উনি আমাদেরকে শিখিয়ে দিলেন, কিভাবে সম্মান জানিয়ে বক্তব্য শুরু করতে হয়:

Honorable president, respected teachers, and my dear friends, …

এবারে ক্লাসের প্রত্যেকটা ছেলেকে একে একে সামনে, ডায়াসের উপর ডেকে নিলেন। কাজ হলো, সামনে, ক্লাস ভর্তি ছাত্রদের দিকে মুখ করে এই কথাটাই আওড়ানো।

যখন আমার পালা এলো, তখন বুকের খাঁচার ভিতর হৃদপিণ্ড হাতুড়ি পেটাচ্ছে। ধুকধুক ধুকধুক! মনে মনে হচ্ছে, পুরো ক্লাসই মনে হয় আমার বুকের ধুকপুকানি শুনতে পাচ্ছে। ধুকপুকানি নিয়েই সাহস সঞ্চয় করে ডায়াসে উঠে, বন্ধুদের দিকে ফিরে কথাগুলো আওড়ালাম: অনারেবল প্রেসিডেন্ট, রেসপেক্টেড টীচার্স, অ্যান্ড মাই ডিয়ার ফ্র্যান্ড্‌স…

সেটাই শুরু…

ঐ একটা উদ্যোগ আমার মনের জড়তা অনেকটাই কাটিয়ে দিলো। পরবর্তিতে তাবলিগে জনসমাগমে কথা বলার অভিজ্ঞতা আমার জড়তা অনেকটা কমিয়ে এনেছে।

ফুটানির জন্য আলাদা নম্বর নেই

অনেকেই ইংরেজি উচ্চারণ শেখার আগেই মাথা ঘামায় ব্রিটিশ উচ্চারণ কেমন, অ্যামেরিকান উচ্চারণ কেমন। অমুকে কেমন করে উচ্চারণ করলো, আর তমুকে কেমন করে উচ্চারণ করলো। ফাঁকা পকেটে ফুটানি মানায় না। আগে উচ্চারণটা শিখে ফেলা যাক, তারপর বলতে শুরু করে দেয়া যাক – অ্যাকসেন্ট বা উচ্চারণভঙ্গি আপনা-আপনি সময়ের আবর্তে ঠিক হয়ে যাবে।

কেউ দেখবেন, ইংরেজি’র অ-ও শিখেনি, উচ্চারণ বদলে ফেলেছে: এখন সে ‘রোড’ বলে না, বলে ‘ড়োড’। এমনকি বাংলাও খেয়ে ফেলেছে: ‘করলাম’ না বলে, বলে ‘কড়লাম’। টাহশান-স্টাইলে মনোনিবেশ করলে আপনি ভুল পথে হাঁটছেন। যা-ই জানেন, যতটুকু জানেন, বলতে শুরু করে দিন।

ভোকাব্যুলারি, নো ভোকাব্যুলারি

ঘটনা বলি শুনুন:

একবার মালয়েশিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি আব্বার সাথে বন্ধুত্বের সুবাদে আমাদের বাসায় এলেন। আমি খাবার নিয়ে তাঁর সামনে গেলাম। সালাম করলাম। তিনি কথাপ্রসঙ্গে আমার কাছে জানতে চাইলেন, How are you?

উত্তরে আমি বললাম, “I’m…”

 

আর তো কিছু মনে আসছে না। আসছেই না। fine, nice, okay – অনেক কিছু দিয়েই কথাটা শেষ করে দেয়া যায়। কিন্তু কোনো কিছুই মনে আসছে না। আমি রীতিমতো ব্ল্যাংক হয়ে গেছি। বোকার মতো আকাশে-বাতাসে তাকিয়ে থাকলাম কোনো একটা শব্দ কোথাও দেখতে পাবো বলে। শেষ পর্যন্ত বেহেস্তেই বোধহয় fine শব্দটা দেখতে পেয়ে বাক্যটা কোনোরকমে শেষ করে পালালাম ওখান থেকে।

আপনি হয়তো ভাবছেন, ভোকাব্যুলারি কম বলেই এটা হয়েছে। দুঃখিত, আপনি ভুল নম্বরে ডায়াল করেছেন।

নটর ডেম কলেজে আমাদের ভাগ্যে ইংরেজির শিক্ষক পড়লেন জাহাঙ্গির কবির (JK)। স্যার একটু পাগলাটে কিসিমের। প্রথম ক্লাস থেকেই উনি দেখা গেল দুই তা কাগজ নিয়ে হাজির। ক্লাস ক্যাপ্টেনকে দিয়ে কাগজ ফটোকপি করিয়ে সবার হাতে হাতে পৌঁছে দিলেন। কী এটা?

ভোকাবুলারি শীট

এই যে শুরু হয়েছিল, সেই অত্যাচার আমাদের উপর চলেছিল পুরো একটা বছর। শীটের পর শীট মুখস্থ করতে হয়েছিল আমাদেরকে। কারণ না করে উপায় নেই, নটর ডেম কলেজে প্রতি সপ্তাহে দুটো ‘কুইজ’ (পরীক্ষা), আর JK আমাদেরকে কয়েকটা ভোকাবুলারির প্রশ্ন দিবেনই দিবেন। আর সেই ভোকাব্যুলারিও যেন-তেন শব্দ নয়: abduct, abdicate – ও মোর খোদা! 😭

বলতেই পারেন, স্যার আমাদের উপকারইতো করেছেন। এই এক বছরে প্রচুর প্রচুর শব্দ মুখস্থ হয়েছে আমাদের। কতটা উপকার করেছেন দেখা যাক:

একদিন লিফ্‌টে করে নিচে নামছি। দেরি হয়ে গেলে, বিল্ডিংয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোর বন্ধ করে দেয়, তখন আমরা লিফ্‌ট দিয়ে গিয়ে বেসমেন্টে নামি। সেদিন আমাদের লিফ্‌টে একজন সাদা চামড়ার বিদেশীও ছিলেন। আর ছিলেন এই বিল্ডিংয়েরই এক দারোয়ান। লিফ্‌ট যখন গ্রাউন্ড ফ্লোরে পৌঁছলো, তখন ঐ বিদেশী লিফ্‌ট থেকে বের হতে উদ্যত হতেই আমি আর দারোয়ান মানা করলাম।

আমি তৎক্ষণাৎ বললাম তাঁকে: “It is off.”

লোকটা কতটুকু বুঝলো কে জানে, তখন আমাকে আশ্চর্য করে দিয়ে ঐ দারোয়ান বললো কি জানেন? বললো: “It is closed.”

নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, আমারটা ভুল না হলেও আমি মোস্ট অ্যাপ্রোপ্রিয়েট (উপযুক্ত) শব্দটা বসাতে পারিনি, যেটা পেরেছেন একজন দারোয়ান। I’s not smarter than a security guard! 😬

গুরু JK আপনার ধন্যি হোক! কেন কাজে আসেনি JK’র গণ্ডায় গণ্ডায় ভোকাব্যুলারি? আমার বন্ধুদেরকে ক’দিন আগে জিজ্ঞেস করেছিলাম, এক বছরে শেখা গণ্ডায় গণ্ডায় ভোকাব্যুলারি থেকে ওদের কয়টা মনে আছে। ওরাও আমারই মতো জানিয়েছে: ২ কি ৩টা। ভাবতে পারেন, পুরো একটা বছর সময় আমরা অযথাই নষ্ট করেছি! 😬 মুখস্তবিদ্যা কখনোই কোনো অর্জন নয়, হবেও না।

আসলে সবই বোকার বুলি – ভোকাব্যুলারি লাগে না, আসল বিষয় হলো, জড়তা, আর চর্চার অভাব। যাহোক পরবর্তিতে জড়তা আরো কাটিয়ে উঠেছিলাম আরেকটা টেকনিক কাজে লাগিয়ে:

ছোটবেলা ইংরেজি প্রথম পত্রে কোন একটা অধ্যায়ে একটা গল্প ছিল যে, রহিম বা করিম — সে আয়নার সামনে কথা বলে। এই বুদ্ধিটা কাজে লাগিয়ে আমি বাথরুমে গিয়ে আয়নার সামনে যখন কথা বলা শুরু করলাম, দেখা গেলো, এটা আমার জড়তা অনেকটা কমিয়ে দিচ্ছে।

আপনিও এই টেকনিক কাজে লাগিয়ে বাথরুমে ৭-ই মার্চের ভাষণটা দিয়ে দিননা ইংরেজিতে… হোক না ভুল। থাকুক না ব্যাকরণিক ভুলে ভরা। দিয়ে দিন ভাষণটা। স্বাধীনতা উন্মুখ মানুষগুলো আপনার আয়নার ওপাশেই যেনবা কলরব করছেন। গলা বাড়ান। জোর গলায় ইংরেজিতে দিয়ে দিন স্বাধীনতার ভাষণ। দরজা লাগানো বাথরুমে আপনাকে বোকা বলার জন্য কেউ এগিয়ে আসবে না। আপনি, উল্টো, অনেক কনফিডেন্স পাবেন।

যদি এই ধারাবাহিক এপর্যন্ত বুঝে থাকেন, তাহলে আপনি ভাষা দেখতে, শুনতে আর উচ্চারণ করতে শিখে গেছেন। এবারের কাজ হলো ভাষা লেখা।

(চলবে…)

– মঈনুল ইসলাম

পরের পর্ব »

মন্তব্য করুন