অফ-ট্র্যাক বান্দরবান ২০১২ (কিস্তি ৬)

অন্ধকারের পথ ধরে আমরা চলছি কোনো এক অজানা পাড়ার সন্ধানে, কেউ জানিনা, আদৌ আছে কি নেই। পাড়া না পেলে অনেকটা পথ আবার ফিরে গিয়ে আস্তানা গাড়তে হবে নদীর বাঁকে। এমন সময়… আবুবকর চিৎকার করে বললেন,পাড়া, পাড়া। পাড়া আছে এখানে। সাথে সাথে মরুভূমির মধ্যে পানির কূপ পাবার মতো সবার মনে কী যে অনাবিল আনন্দ ছেয়ে গেল,…

বিস্তারিত

অফ-ট্র্যাক বান্দরবান ২০১২ (কিস্তি ৫)

দুই পাশে উলঙ্গ, ৯০ ডিগ্রি খাড়া পাহাড়, মাঝখানে কিছুটা গভীর পানি। এপাড়ে দাঁড়িয়ে আমরা সাতজন, যেতে হবে সামনে, যাবার জন্যেই এসেছি। এরকম পরিস্থিতিতে আগেও পড়েছি, কিন্তু এরকম খাড়া নাঙ্গা পাহাড়ের সামনে পড়িনি সত্যি বলছি। একেবারে রক ক্লাইম্বার হওয়া লাগবে, যার প্রস্তুতি আমাদের নেই। সুতরাং আর একটাই সহজ পথ খোলা আছে আমাদের সামনে— সাঁতার। আবুবকর তাই…

বিস্তারিত

অফ-ট্র্যাক বান্দরবান ২০১২ (কিস্তি ৪)

রাসেলের বাম পায়ের পাতায় ব্যথা করছে। সম্ভবত তার পা বাঁকা হয়ে কোথাও পড়েছে, তাই ব্যাথা করছে। কিন্তু সে হাঁটতে পারছে, তাই আমাদের পরিকল্পনা ভেস্তে যাবার সম্ভাবনা নেই। আমরা আমাদের প্ল্যানেই থাকলাম। গাইড দুজনকে অনুসরণ করে আমরা একটা ত্রিপুরা পাড়ায় পৌঁছলাম। পাড়াটার নাম বিকাশ বলেছিল, কিন্তু লিখে রাখিনি তখন। বগামুখ থেকে নেমে এসে আমরা এই পাড়ার…

বিস্তারিত

অফ-ট্র্যাক বান্দরবান ২০১২ (কিস্তি ৩)

আমাদের প্রকৃত যাত্রাপথ রুমা খালের মুখ (22° 1’57.00″N, 92°24’53.48″E) থেকে শুরু বলে শেষবারের মতো আমরা সম্মিলিতভাবে হাত তুলে প্রার্থণা করে নিলাম আল্লাহ’র কাছে। স্বাভাবিকভাবেই সে প্রার্থণায় বিকাশ আর আপেল সামিল হলো না। আমরা পানিতে পা রাখলাম, ভিজিয়ে ফেললাম পরনের অ্যাংকলেট, এবং এটাও বুঝলাম, আমাদেরকে এভাবে পথে অনেক অনেকবার ভিজতে হবে, শুকাতে হবে —এগুলো গোনায় ধরা যাবে…

বিস্তারিত

অফ-ট্র্যাক বান্দরবান ২০১২ (কিস্তি ২)

শেষ পর্যন্ত সমাধান বেরুলো:        আমরা তিনজন: উদ্দেশ্য বগালেক, কিওক্রাডাং (গাইড: সিয়াম)        ওরা দুজন: উদ্দেশ্য বগামুখ পাড়া, তারপর নিজস্ব পরিকল্পিত পথ (গাইড: একজন) রাতের খাবার শেষ হলে আবু বকর ঢাকায় ভ্রমণ বাংলাদেশ-এর বড় ভাইদের সাথে যোগাযোগ করে স্থানীয় গাইডকে খবর দিলেন। সে ব্যস্ত থাকায় পাঠালো পরিচিত গাইড সুমন দত্তকে। আবু বকর আর কামরুলের পথের…

বিস্তারিত

অফ-ট্র্যাক বান্দরবান ২০১২

~ দুটো নতুন ঝরণা আর নতুন পথের দিশা ~ ৮০ ডিগ্রী খাড়া ঢাল, সারিবদ্ধ আমরা পাঁচ জন, পায়ের নিচে গুড়ি গুড়ি নুড়ি পাথরের ছড়াছড়ি, নিজের শরীরের ওজন আর ব্যাগের ওজন মিলে মাধ্যাকর্ষণের টানে নিচের দিকে টানছে; পা হড়কালে ১০০ ফুট নিচের পাথুরে খাঁদে চির সমাধি, তাও শুধু একজনের নয়, নিচে, খাড়া পাহাড়ের সাথে ঝুজতে থাকা…

বিস্তারিত

বাংলাদেশ রেলওয়ে: ভ্রমণে স্বাগতম (কিস্তি ২)

বাংলাদেশ রেলওয়ের মাসিক টিকেট বিষয়ে জানেন না অনেকেই। রেলওয়ের অনেক অজানা কথার পাশাপাশি মাসিক টিকেটের আদ্যোপান্তও আলোচিত হয়েছে এই নিবন্ধে…

বিস্তারিত

বাংলাদেশ রেলওয়ে: ভ্রমণে স্বাগতম

বাংলাদেশ রেলওয়ে, ব্রিটিশ আমল থেকে আমাদেরকে রেল সুবিধা দিয়ে আসছে। ট্রেন নিয়ে সব অভিজ্ঞতা আর রেলওয়ে বিষয়ক বিস্তারিত রয়েছে এই ধারাবাহিকে…

বিস্তারিত

বান্দরবান ভ্রমণ ২০১১ : পর্ব ৪

যে দুজন আমাদের গাড়িতে লিফ্‌ট চাচ্ছিল, তাদের একজন বয়স্ক মানুষ, সাথে একটা ছোট্ট ছেলে। তাদেরকে নেয়ার প্রশ্নই উঠে না, কারণ এরা স্থানীয়। কিন্তু কেন জানি আমার মনে হলো এরা আসলেই বিপদগ্রস্থ। কারণ, আমাদের গাড়ি যখন নীলাচলে, ঢাল বেয়ে উঠছিল, তখনও এরা আমাদের গাড়ি থামাতে চাচ্ছিল, লোকটার গলায় একটা ঢোল ছিল, আর ছেলেটা নিয়ন্ত্রণ করছিল লোকটিকে।…

বিস্তারিত

বিশ্ব ইজতেমার হাঁড়ির খবর

বিশ্ব ইজতেমা বা বিশ্ব ইজতিমা মানে হলো সারা বিশ্বের সমন্বয়ে আয়োজিত যেকোনো বড় সমাবেশ। কিন্তু আমরা সাধারণত বাংলাদেশে, তাবলিগ জামাতের বার্ষিক বৈশ্বিক সমাবেশকে বিশ্ব ইজতেমা বলে জানি। আমার জানামতে আরো বিভিন্ন বেদ’আতপন্থী দল বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন করে থাকে, তাদের নিজস্ব মতাদর্শীয় লোকদের একত্র করতে। যাহোক, তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা সম্পর্কে আপনারা এই নিবন্ধ^ থেকেই বিস্তারিত…

বিস্তারিত

আবহমান বাংলার গ্রাম: পরিচিতি

ভারতের দিল্লী থেকে বন্ধুবর অমিত রায় বাংলাদেশের গ্রাম সম্পর্কে জানতে চাইলে যদি সেখানে আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকে, তাহলে বাংলাদেশী হওয়াসত্ত্বেয় আমার এবিষয়ে না লেখায় আশ্চর্যের সীমা থাকে না। তাই দেরিতে হলেও বাংলাদেশের তথাকথিত ৬৫,০০০ গ্রামের-খুব-অল্পটাই-দেখা-এই-আমি এই লেখায় ব্রতী হলাম। এজন্য যাবতীয় কৃতিত্ব অবশ্যই অমিত রায়ের। কিন্তু আমি আসলে হাবুডুবু খাচ্ছি, কী রেখে কী লিখব। তবু…

বিস্তারিত

বান্দরবান ভ্রমণ ২০১১ : পর্ব ৩

গাড়ি নীলগিরির চূড়ায় উঠলে একটা পার্কিং এলাকা। এখানে পার্কিংয়ের জন্য যে টাকা দিতে হবে (৳৩০০), তা আমাদেরকে বহন করতে হবে, ড্রাইভারের সাথে এমনটাই চুক্তি হয়েছিল। যাবতীয় খরচ একহাতে হচ্ছে, তাই ইফতি এগিয়ে গেলো আর্মির ছোট্ট কমান্ড পোস্টটার দিকে। সেখান থেকে আবার জনপ্রতি টিকিট (৳৫০) কেটে উপরের চূড়ায় উঠতে হয়। যারা কটেজ ভাড়া করে আসেননি, তাদেরকে…

বিস্তারিত

সবকিছুর নাম বাংলায় রাখতে কোনো বাধা নেই

আচ্ছা, সবকিছুর নাম বাংলায় রাখলে কী হয়? বাংলায় নাম! অনেক অনেক সমস্যার কথা উঠে আসছে জানি, তবু আমি আজকে প্রমাণ করবো কেন আপনি বাংলায় সবকিছুর নাম রাখবেন, কেন তা রাখলে কোনোই অসুবিধা নেই, বরং তা সম্মানের। আমাদের বাংলাদেশের দুই নেত্রীর নামকরণ সংস্কৃতির সাথে আমরা সবাই পরিচিত: একজনের দেয়া নাম আরেকজন এসে পাল্টে দেন, আবার পরের…

বিস্তারিত

কবিতা: ভাষা সৈনিক নব বাংলায়

বলিয়াছি আদো বোল এ বাংলায় রচিয়াছি কত গাঁথা ভাবি নাই কভু উর্দু আমার জাগাইবে মাথাব্যাথা থাকিনি বসিয়া চুপ্‌টি করিয়া উর্দু বোলেতে দুগাল ভরিয়া বজ্রকণ্ঠে, জোর কদমে হাঁকিছি বঙ্গ-বোল আমারি ডাকেতে ওরাও জাগিলো বাঁধিলো যে সরগোল ঠেকায় মোদের সাধ্য যে কার উর্দুর মাথা ভাঙিব এবার রাজপথে নামি আমরা ক’জনা পড়িলাম গিয়া একগাদা সেনা- তোপের মুখেতে শেষে;…

বিস্তারিত

বাংলাদেশের কৃতিত্ব : শয়তান ভাইরাসের মুখোশ উন্মোচন

ছোটবেলায় ভাইরাস আর ব্যাক্টেরিয়ার কথা যখন পড়তাম, তখন শুধু বুঝতাম এরা খুব ছোট একপ্রকারের জীব, যাদেরকে দেখার জন্য অণুবীক্ষণ যন্ত্রের দরকার হয়। এছাড়া আর কিছু বুঝতাম না। তবে আরেকটা বিষয় মনে ঠিকই গেঁথে গিয়েছিল যে, ব্যাক্টেরিয়ারা বেশ উপকারী জীব আর ভাইরাসগুলো হলো বদের হাড্ডি। কারণ বইতে, ভাইরাসের উপকারিতা এবং অপকারিতার উল্লেখ থাকলেও কখনোই ব্যাক্টেরিয়ার অপকারিতার…

বিস্তারিত