জলপ্রপাতের খোঁজে – ছোট বোয়ালিয়া আর মালিখোলা ৩

~ জলপ্রপাত আবিষ্কার ~ খইয়াছড়া ঝরণার যৌবনে যুদ্ধে ব্রতী হবো বলে এসে হালকা চালের রজ্জু তীরোপার করে আমরা যখন বিশ্রাম নিচ্ছি, তুহিন ভাইয়ের জ্যাঠার মৃত্যু খবরে তিনি ঢাকার পথ ধরলেন। বাকি তিনজন, দুপুরের খাবার খেয়ে বাক্স-পেটরা সব ঐ খাবার হোটেলে রেখেই বেরিয়ে পড়লাম – নিকটস্থ একটা ঝরণা আবিষ্কারের জন্যে। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কটা পেরিয়ে রাস্তার পূর্ব…

বিস্তারিত

জলপ্রপাতের খোঁজে – ছোট বোয়ালিয়া আর মালিখোলা ২

~ রজ্জু তীরোপার ~ আমাদের চারজনের দলটা মিরসরাইয়ের খইয়াছড়া ঝরণায় গেল পানির ঢলে গা ডুবাতে, কিন্তু সেখানে গিয়ে হতাশ হতে হলো। সেই হতাশা ঢাকতে আমরা যখন সঙ্গে করে আনা রশি দিয়ে রজ্জু তীরোপার করবার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছিলাম, তখন দলনেতা, অভিজ্ঞ আবুবকর করছিলেন দোনমনা। নেতার এই সিদ্ধান্তহীনতায় আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিল এক অশুভ পরিণাম। নেতার জায়গাটি…

বিস্তারিত

জলপ্রপাতের খোঁজে – ছোট বোয়ালিয়া আর মালিখোলা

~ খইয়াছড়া ঝরণা ~ “রশিটা টেনে ধরেন, আপনার টানেই ও’ আসবে…” কথাটা ছুঁড়ে দিলেন কামাল ভাই, তুহিন ভাইয়ের উদ্দেশ্যে। রশিতে ঝুলে আছি আমি, নিচে খইয়াছড়া ঝরণার পানি বয়ে যাচ্ছে। বিয়ার গ্রিল্‌সের মতো করে রশির উপর শরীর রেখে এক পা ঝুলিয়ে সামনে এগোনোর চেষ্টা করছি। কিন্তু রশিটা দুলছে… একটু বেশিই দুলছে… ২০১৩ জুলাই ১ | সকাল…

বিস্তারিত

অজানা লেকের অভিযানে বান্দরবান ২০১৩ : দ্বিতীয়াধ্যায় : পর্ব ৩

তিন্দু থেকে পায়দল রেমাক্রি বাজারে বোধহয় আমরাই প্রথম অভিযাত্রী। সেখান থেকে দুপুরে রওয়ানা করেছি নাফা খুমের উদ্দেশ্যে। নাফা খুমে পৌঁছতে বড্ড দেরি করে ফেলেছি। কিন্তু তাতে আমাদের বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ নেই। নাফা খুমে গোসল করতে হবে -এটাই এখন কাজ। খুমের জলে ঝাঁপ দেবো ভাবছি, কিন্তু ডুবো-পাথরের ভয় করছি। যুক্তিগ্রাহ্য সিদ্ধান্তে এলাম: আমার এখন ঝাঁপ দেয়াটা শখ…

বিস্তারিত

অজানা লেকের অভিযানে বান্দরবান ২০১৩ : দ্বিতীয়াধ্যায় : পর্ব ২

« অজানা লেকের অভিযানে বান্দরবান : প্রথমাধ্যায় « আগের পর্ব আমরা ছিলাম ১০জন, ৭জন তাদের ভ্রমণ শেষ করে ফিরে গেছে, বাকি তিনজন চলেছিলাম অজানা লেকের অভিযানে… কিন্তু শেষ একজনও বিদায় নিয়েছে আমাদের থেকে। হারাধনের রইলো আর বাকি ২জন, সাথে আছেন দুই গাইড: নুং চ মং (প্রধান গাইড) আর থং প্রি মুং (সহচর গাইড)। চারজনের এই…

বিস্তারিত

বান্দরবান ভ্রমণ ২০১১ : পর্ব ৩

গাড়ি নীলগিরির চূড়ায় উঠলে একটা পার্কিং এলাকা। এখানে পার্কিংয়ের জন্য যে টাকা দিতে হবে (৳৩০০), তা আমাদেরকে বহন করতে হবে, ড্রাইভারের সাথে এমনটাই চুক্তি হয়েছিল। যাবতীয় খরচ একহাতে হচ্ছে, তাই ইফতি এগিয়ে গেলো আর্মির ছোট্ট কমান্ড পোস্টটার দিকে। সেখান থেকে আবার জনপ্রতি টিকিট (৳৫০) কেটে উপরের চূড়ায় উঠতে হয়। যারা কটেজ ভাড়া করে আসেননি, তাদেরকে…

বিস্তারিত