প্রশ্নোত্তরের খেরোখাতা

আজকে বাসায় একটা ছোট মেয়ে এসেছিল। ওর বাচনভঙ্গি ছিল অপূর্ব। তা তার বাংলা উচ্চারণ বলুন চাই উত্তর দেয়ার চটপটে ভাবে বলুন – সবই অপূর্ব! যদিও ওর আম্মু ওর সাথে আসেননি, কিন্ত ও’ আমাদের সাথে মিশে গেল। আমাদের মাঝে একা, অথচ কোনো কপটতা নেই। তার প্রত্যেকটা উত্তর ছিল সাবলীল, আমরা আমাদের প্রত্যেকটা প্রশ্নের উত্তরই পাচ্ছিলাম ওর থেকে। উত্তর দেয়ায় সে সম্পূর্ণ সাবলীল আর সেগুলো মোটেই শিশুসুলভ না।

কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা গেলো, আমাদের প্রশ্নের ভান্ডার উজাড় হয়ে গেছে।

কিন্তু সে আলাপচারিতায় পটু। এবারে দেখা গেলো গুটি ঘুরে গেলো, সে তার পছন্দের বিষয়ে কথা বলছে – প্রশ্ন এবার সে করছে, আমরা উত্তর করছি। অনেকক্ষণ থাকলো ও’, কিন্তু যতক্ষণ ছিল, ও ছিল প্রাণবন্ত।

আজকের অভিজ্ঞতার পর, আমি একটা সিদ্ধান্তে এলাম:

উত্তর নেই বলেই আমাদের অনেক অনেক প্রশ্ন। যখন সব প্রশ্নের উত্তর আমাদের জানা হয়ে যাবে, তখন আর আমাদের কোনো প্রশ্ন থাকবে না। এটাই এই বিশ্বে প্রশ্নোত্তরের ধারা।

জানতে ইচ্ছে করছে না তার নাম, যে এই অপূর্ব চিন্তার জন্ম দিলো?

ওর নাম মাহি।

কিন্তু আপনি যদি ওকে ওর নাম জিজ্ঞাসা করেন, ও নিশ্চিতই ওর পুরো নাম বলবে।  🙂

– মঈনুল ইসলাম

মন্তব্য করুন